যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার (৩ অক্টোবর) বলেছে, গাজায় যুদ্ধ শেষের লক্ষ্যে তার প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনায় হামাস আংশিক সম্মতি জানিয়েছে—এতে জিম্মিদের মুক্তি ও একাধিক শর্ত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে—এবং এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে তিনি। একই সঙ্গে ট্রাম্প ইসরায়েলকে “অবিলম্বে গাজায় বোমাবর্ষণ বন্ধ” করার আহ্বান জানিয়েছেন।
ট্রাম্পের দেওয়া খবর—হামাস যদি তার প্রস্তাব মেনে নেয় তবে বন্দিদের ধাপে ধাপে মুক্তি এবং গাজায় সাময়িক প্রশাসনিক পরিবর্তনও বাস্তবায়ন করা হবে—এমনটাই দাবি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, হামাসের সদ্য প্রকাশিত বিবৃতির ভিত্তিতে তিনি বিশ্বাস করেন যে তারা স্থায়ী শান্তির প্রতি প্রস্তুত। তবে তৎপরতায় আরও স্পষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি সতর্কও করেছেন।
ট্রাম্প একটি আলটিমেটামও দিয়েছেন: রবিবার রাতের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানাতে বলা হয়েছে; না হলে তিনি কঠোর প্রতিক্রিয়ার হুমকি দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে (কাতার, মিশর, সৌদি আরব, তুরস্ক ও জর্ডানসহ) আলোচনা চলছে বলে যুক্তরাষ্ট্র উল্লেখ করেছে। এদিকে, হামাসের আংশিক সম্মতির প্রেক্ষাপটেও ইসরায়েলের পক্ষ থেকে বোমাবর্ষণ থামানো বা বন্দিদের মুক্তির নির্দিষ্ট সময়সীমা নিয়ে কনক্রিট প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি—এটিই এখন দায়িত্বশীল পক্ষগুলোর নজরকাড়া বিষয়। Politico+1
বিশ্ববাজারে ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে এই ঘোষণা ভিন্ন প্রতিক্রিয়া জাগাচ্ছে—একদিকে হত্যাকাণ্ড ও মানবিক বিপর্যয়ের মাঝেই শান্তির সম্ভাবনার আলো দেখা যাচ্ছে, অন্যদিকে বাস্তবায়ন ও নিরস্ত্রীকরণ, প্রশাসনিক ক্ষমতার হস্তান্তরসহ সংবেদনশীল পয়েন্টগুলো এখনও অনিশ্চিত রয়েছে।

