আন্তর্জাতিক ডেস্ক
বিশ্বের সবচেয়ে বড় কার্বন দূষণকারী দেশ চীন ২০৩৫ সালের মধ্যে অন্তত ৭ থেকে ১০ শতাংশ নির্গমন হ্রাসের চেষ্টা করবে বলে জানিয়েছে। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনে দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং জানিয়েছেন, আগামী ১০ বছরে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন অন্তত ৭ থেকে ১০ শতাংশ কমাবে তারা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এ খবর জানিয়েছে।
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন রোধে এটি বেইজিংয়ের প্রথম বড় প্রতিশ্রুতি।
সম্মেলনে ভিডিও বার্তায় শি জিনপিং বলেন, “সবুজ এবং নিম্ন-কার্বন রূপান্তর আমাদের সময়ের প্রবণতা।” যুক্তরাষ্ট্রকে ইঙ্গিত করে তিনি আরও বলেন, “কিছু দেশ এর বিপক্ষে।”
চীনের এ ঘোষণা এলো একদিন পরেই, যখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জলবায়ু পরিবর্তনকে আখ্যা দিয়েছিলেন “বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় প্রতারণা” হিসেবে। ট্রাম্প অন্যান্য দেশকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার এড়িয়ে চলতে সতর্ক করেছেন এবং তেল অনুসন্ধান চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্র এই সপ্তাহের জাতিসংঘ জলবায়ু সম্মেলনে অংশ নেয়নি, যা জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বিশ্বের বাকি দেশগুলোর সাথে তার বিচ্ছিন্নতাকে আরও গভীর করেছে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বুধবার আরও অনেক বৈশ্বিক সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তার বক্তব্যে রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্য আরও সামরিক সহায়তার আহ্বান জানান।
এছাড়া জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা সতর্ক করেছেন যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণহীন থাকলে বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে। জেলেনস্কিও তার বক্তৃতায় সামরিক ব্যবহারে এআই-এর সম্ভাব্য ঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক করেন। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস প্রযুক্তিটি পর্যবেক্ষণ করতে এবং এর ব্যবহারের জন্য বৈশ্বিক নীতিমালা তৈরি করতে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন।

